সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধানমন্ডির বসিলায় ওয়েস্ট হাউজিংয়ে বিনা নোটিশে ১৭ টি পরিবারকে উচ্ছেদ জেল থেকে বেরিয়ে ফের শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রে, শিশুসাহিত্যিক টিপু সঙ্গীসহ গ্রেফতার ১ম বিয়ে ১০০, ২য় ৫ হাজার, ৩য় ২০ হাজার, ৪র্থ বিয়ে করলে দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা কর সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান হজ নিবন্ধনের সময় বাড়ল ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তুরাগতীরে বৃহত্তম জুমার জামাত অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা প্রেস ক্লাব নির্বাচন শামীম সভাপতি ও ফারুক সাধারণ সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে বডি বিল্ডার ফারুকের মৃত্যুর অভিযোগ আদালতে মামলা দায়ের, তদন্তে ডিবি টিআইয়ের দুর্নীতির ধারণাসূচকের প্রতিবেদন অস্পষ্ট: দুদক আড়াই বছরেও কূলকিনারা হয়নি ডা. সাবিরা হত্যাকান্ডের রহস্যের
নোটিশ :
Wellcome to our website...

৩০০ টাকার ভাড়া ২২০০ টাকা দিয়ে ভোলা এসেছি

রিপোর্টার / ১০৫ বার
আপডেট : রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারাদেশের মতো ভোালাতেও অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে লঞ্চ মালিক সমিতি। এতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোলার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। 

রোববার (৭ নভেম্বর) সকাল থেকেই জেলার ৮ রুটে ১৬ ঘাট থেকে ছেড়ে যায়নি কোনো লঞ্চ। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। অনেকেই ঘাটে এসে গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে গেছেন।  কিন্তু লঞ্চ না থাকায় কেউ কেউ বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অতিরিক্ত ভাড়া ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলার, স্পিডবোটে বরিশাল ও লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, গতকাল রাত থেকে ভোলা-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার যাত্রী। সকালে ঘাটে এসে অনেকেই ফিরে গেছেন। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর রুটে অধিক ভাড়া নিয়ে ছোট ছোট লঞ্চ পারাপার করতে দেখা গেছে।

ইলিশা লঞ্চঘাটে কথা হয় আব্দুল কাদের মিয়ার সঙ্গে। তিনি ঢাকার সদরঘাট থেকে এসেছেন।  আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, আমার বাড়ির লোকজন অসুস্থ। তাদের দেখতে ঢাকার সদরঘাট থেকে আমি ও আমার ছেলে ৩০০ টাকার ভাড়া দুই হাজার ২০০ টাকা করে মোট সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত এসেছি। মজু চৌধুরীর ঘাট থেকে ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা দিয়ে এপার এসেছি। কী করব আমরা তো তাদের কাছে আটকা।

আরেক যাত্রী ফেরদৌসী বেগম বলেন, চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছিলাম। গতকাল ডাক্তার দেখানোর পরে লঞ্চ না পেয়ে বিভিন্ন গাড়িতে অধিক ভাড়া দিয়া মজু চৌধুরীর ঘাটে আসছি। এখান থেকে লঞ্চে ১৫০ টাকার ভাড়া ২৫০ টাকা নিছে।

মো. ইফতেখার আলম ঢাকার মোহাম্মদপুর যাবেন। ঘাটে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি ঢাকায় একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে কাজ করি। পারিবারিক কাজে দুই দিনের ছুটিতে বাড়ি আসছি। এখন ছুটি শেষে লঞ্চ ধর্মঘটে বিপাকে পড়েছি। অফিস থেকে বার বার ফোন দিচ্ছে কাজে যাওয়ার জন্য। রাতের মধ্যে ঢাকা পৌঁছাতে না পারলে চাকরিটা মনে হয় থাকবে না।

কথা হয় চরফ্যাশন থেকে আসা আরেক যাত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে। তিনিও ঢাকায় যাবেন। তিনি বলেন, আমার ছেলের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মেডিকেল রিপোর্ট আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। আজকে মেডিকেল টেস্ট দিলে রিপোর্ট আসতে ৪/৫ দিন সময় লাগে। তাই জরুরিভিত্তিতে ছেলেকে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছি। ঘাটে লঞ্চ নাই, এখন অধিক ভাড়া দিয়ে স্পিডবোটে করে যেতে হচ্ছে।

বিআইডব্লিটিএ’র সহকারী পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে ভোলা-লক্ষ্মীপুর, ভোলা-বরিশাল, ভেলুমিয়া-ধুলিয়া, নাজিরপুর-কালাইয়া, দৌলতখান-মির্জাকালু-আলেকজেন্ডার ও ভেদুরিয়া-লাহারহাট রুট থেকে কোনো লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। তবে ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা-বরিশাল রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুপুরের পরে ইলিশা-লক্ষ্মীপুর রুটে দু-একটি ছোট লঞ্চ চলাচল করতে দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর